শফিকুল ইসলাম সুমন, মাগুরা:
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি, প্রক্সি শিক্ষক, নিয়োগে অর্থ লেনদেন এবং সরকারি অনুদানের অর্থ ব্যয়ে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।
মাদরাসাটি ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। অভিযোগের বিষয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সরেজমিনে মাদরাসায় গিয়ে সুপার মাওলানা মো. হাফিজুর রহমানকে তাঁর কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, মাদরাসার কৃষি বিষয়ের শিক্ষক শিল্পী প্রায় ২০ বছর চাকরি করার পর গত পাঁচ বছর ধরে নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে তাঁর পরিবর্তে শতখালী গ্রামের সোহাগ নামে একজনকে দিয়ে প্রক্সি ক্লাস করাচ্ছেন। এছাড়া সহকারী সুপার (সহসুপার) মনিরুজ্জামানের ছেলে শাকিব প্রায় এক বছর ধরে প্রক্সি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান আল আমিনের বেতন এখনও হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। নিয়োগের সময় তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে তিনি নিয়মিত মাদরাসায় উপস্থিত থাকেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান ১৯৯১ সালের ১৮ জুলাই থেকে সুপার পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব অনুযায়ী নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মাদরাসা ত্যাগ করেন। এছাড়া মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে মামলার বাদী বর্তমানে সক্রিয় নেই বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন