সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সুগন্ধি চালের মিল ও পাইকারি-খুচরা দোকানে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে একটি কথিত সুগন্ধি চাল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে চার ব্যবসায়ীকে মোট ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বল্লাভভংকুর ও রুদ্রপুর এলাকায় সুগন্ধি চালের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনিকা তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ এবং চান্দাইকোনা বাজারের সুগন্ধি চালের পাইকারি ও খুচরা দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ। তিনি জানান, অভিযানে মেসার্স আনিকা তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয়েও প্রতিষ্ঠানটির কোনো তথ্য না থাকায় এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, চান্দাইকোনা বাজারে সুগন্ধি চাল নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে মেসার্স কুন্ড এন্ড সন্সের মালিক প্রশান্ত কুমার কুন্ডুকে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স ইয়ামনি ট্রেডার্সের মালিক মো. ইউসুফ আলীকে ৩ হাজার টাকা, মেসার্স একতা ট্রেডার্সের মালিক মো. ফরহাদকে ৩ হাজার টাকা এবং মেসার্স আল-আমিন স্টোরের মালিক মো. আল-আমিনকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সুগন্ধি চালের বাজারদর, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতিও তদারকি করা হয়। এ সময় উপজেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, খাদ্য পরিদর্শক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা, র্যাব এবং ব্যাটালিয়ন আনসারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।